মাজার শরীফে মম বাতি জালানো জায়েজ

সম্মানিত আওলিয়ায়ে কেরাম গনের মাজার / রওজাহ শরীফে  মোমবাতি জালানো, আগর লোবান জালানো এবং গোলাপ জলের পানি ও আতর খুশবু ছিটানো জায়েজ এবং বৈধ। 


দলিল: বিশ্ব বিখ্যাত তাফসীরে রুহুল বয়ান শরীফের ১০ পারায় সুরা তাওবার " ইন্নামা ইয়ামুরু মাসাজিদাল্লাহি মান আমানা বিল্লাহি এ আয়াতের তাফসীরে উল্লেখিত হয়েছে,ওয়া ইকাদুল কানাদিলি ওয়াচ শাময়ি ইন্দা কুবুরিল আওলিয়ায়ি


ওয়াছ ছোলাহায়ি ওয়ালিল আহলালি লিল আওলিয়ায়ি ফাল মাকসাদু ফিহা মাকসাদু হাসানিন ওয়া নাজরুয জিতি ওয়াশ শাময়ি লি আওলিয়া ইন ইয়ুকাদু ইন্দা কুবুরিহিৃম তাজিমান লাহুম ওয়া মুহাব্বাতুন ফিহিম জায়িজুন লাইয়াম বাগুন নায়হু আনহু।"


অর্থাত, অনুরুপভাবে আওলিয়ায়ে কেরাম ও পুন্যাত্তাদের কবরের পাশে তাঁদের শান মানের জন্য তৈল ও মোমবাতি তাঁদের মাজার মোবারকের পার্শে সম্মানার্থেই জ্বালানো হয়,আর এ উদ্দেশ্যে মানত করা বৈধ। এ ব্যেপারে নিষেধ করা উচিত নয়। প্রসিদ্ধ কিতাব ' হাদিকাতুন নাদিয়া শরহে তরীক্বায়ে মোহাম্মাদিয়া ' ২য় খন্ডের  ৪২৯ পৃষ্ঠায় উল্লেখিত হয়েছে, "ইযা কানা কাবরু ওয়া লিয়িন মিনাল আওলিয়ায়ি আউ আলিমুন মিনাল মুহাক্কিকিন তাজিমান লিরুহিহি আ'লামান লিন্নাসি আন্নাহু ওয়ালি ইয়াতা বাররা কুবিহি ওয়া ইয়াদাউ ল্লাহা তা লা ইন্দাহু ফা ইয়ুশ তাহাবু লাহুম ফাহুয়া আমরুন জায়েজুন। '


অর্থাত,  আর কবর যদি কোন ওলীআল্লাহ ও বিশিষ্ঠ আলিমের হয়,তাহলে তাদের আত্বার প্রতি সম্মানের জন্য এবং জনগনের অবগতির জন্য, যাতে এটা ওলীআল্লাহর কবর কিংবা মাজার মোবারক বুজতে পেড়ে ফয়েজ হাসিল করতে পারে। এবং ওলীআল্লাহদের কদম পাকের শিওড়ে বসে আল্লাহ তায়ালার নিকট প্রার্থনা করতে পারে তাহলে বাতি জালানো সম্পুর্ন জায়েজ। আল্লামা নাবলুসি (রহঃ) রচিত বিশ্ব বিখ্যাত কাশফুন নূর আন আসহাবিল কুবুর কিতাবে মাজার শরীফে বাতি জালানো জায়েজ বলে উল্লেখ করেছেন।


গেয়ানিদের জন্য সংখেপে এতটুকুই যতেষ্ঠ বলে মনে করি। ইসলামে ইদের দিন, জুম্মার দিন,সুন্দর পোষাক,আতর খুশবু বেবহার করা সুন্নাত, ও মোস্তাহাব বলে উল্লেখ আছে। মাজার শরীফ সমুহে ও আতর গোলাপজল ছিটানো আগর লোবান বাতি জালানো উত্তম।এগুলো ইসলামী সংস্কৃতির  অংশ,  এগুলো জিন্দা বা আবাদ রাখা বর্তমান  অপসংস্কৃতির ঘোর তমশায় প্রত্যেকের ঈমানি ও ধর্মীয় দায়িত্ব ও কর্তব্য। আল্লাহ পাক আমাদের কে অনুধাবন করে আমল করার তৌফিক দান করুন। 


মন্তব্যসূত্র : আশেকানগন এসব কাজসমুহ মহান ওলীআল্লাহদের সম্মান প্রদর্শন, তাদের প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধা ,  প্রেম ভালোবাসা, নিবেদনের বহিঃপ্রকাশ সরুপ করে থাকে।তাই তা পালন করতে গিয়ে যে অর্থ খরচ হয় তা কখনও অপচয় বলা যাবে না।


যেহেতু নবী ওলীদের মোহাব্বাতের রাস্তায় যা  খরচ হয় সেটাও ফি সাবি লিল্লাহ, বা আল্লাহর রাস্তায় ব্যায় বলে খরচ হবে। কারন পবিত্র জিনিষ পবিত্র কাজে পবিত্রতার সহিতই ব্যবহার করা হয়।

( সংগৃহিত)।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ